ছুদতে মজা বুড়ি

আমি সাউথ ওয়েলসের কার্ডিফ শহরের কাছে ছোট্ট এক শহরে থাকি। একটা মটরগ্যারেজ়ে কাজ করি। একটা বাসার একটা রুম ভাড়া নিয়ে থাকি। এই বাসায়আরো দুইটা রুম আছে তার একটাতে এক আফ্রিকান ছেলে আর অন্য রুমে এক মধ্যবয়সি বিধবা ইংরেজ মহিলা থাকে। সবার সাথেই সবার বেশ ভাল সম্পর্ক। আমিপ্রায় দুই বতসর যাবত দেশে বৌ রেখে এখানে এসেছি। তার মানে বুঝতে পারছেন?এই দুই বতসর যাবত চুদাতো দুরের কথা কোন ভুদাও চোখে দেখিনি। আমার দুইবতসরের উপোসি ধোন শুধু ভুদা খুজে বেড়ায়। এদেশের কিশোরী, যুবতি এবং বুড়িযেই হোক শীতকালটা কোন রকম ঢেকে ঢুকে থাকে কিন্তু গড়ম এলেই শরীর থেকেধীরে ধীরে কাপর চোপরের বোঝা কমে যায়, বুকের দুধের বোটার চার দিকে যেগোল চাকতির মত থাকে তা প্রায় দেখা যায়। প্যান্ট যেখানে পরে, আর একটু নিচেহলেই নাভির নিচে যেখানে বাল শুরু হয়েছে তাও দেখা যেত। এরাতো এমনিই সাদাচামরা কাজেই দুধের সেই চাকতি একে বারে গোলাপি রঙের, খুবই সুন্দর লাগেদেখতে, ওই রকম যাকে দেখি তার দুধের দিকে তাকিয়ে থাকি। এদের দুধ গুলিওবেস বড় বড়, ঢল ঢল করে। না দেখে কি করি বলেন, এই এতো সুন্দর সুন্দর দুধ এইকি না দেখে পারা যায়? বিশেষ করে আমার মত যারা দুধের স্বাদ পেয়েছে। যাইহোক বুড়িকে দেখেই আমার মনে হোত ইস, বুড়িরতো স্বামি নেই সেওতো উপোসি,যদি কোন দিন প্রস্তাব দেয় তাহলে একটু চুদতে পারতাম। না, বুড়ির তরফ থেকেসেরকম কোন লক্ষনই দেখা যায় না। যাক, কি আর করি বাইরে থেকে দুধ দেখেঘড়ে এসে বুড়ির কথা, বৌএর কথা চিন্তা করে করে গায়ে মাখার লোশন ধোন আরহাতে মাখিয়ে ধোন খেচে ধাতু বের করে ফেলতাম।
এক দিন সেই আফ্রিকান ছেলে জো বাসায় নেই, ওর রাতে ডিউটি। আমি কিচেনেভেড়ার মাংশ রান্না করছি। সুন্দর গন্ধ বেরিয়েছে তাই সুকে সুকে বুড়ি এসে আমারবাম পাশে দাঁড়িয়ে জিগ্যেস করলো কি রাধছ এতো সুন্দর গন্ধ পাচ্ছি। বুড়ির নামহোল টেরি। টেরি একেবারে আমার গা ছুই ছুই ভাবে দাড়িয়েছে। আমি পাশেরউপরের তাক থেকে মশলার একটা কৌটা নামাবার সময় একেবারে টেরির দুধেরসাথে আমার বাম হাতের কনুই গুতা লাগলো, আহ সে যে কি মজা। কত দিন পরএকটু দুধের ছোয়া পেলাম, বুড়ি হলে হবে কি বয়স মাত্র ৫৩ বছড় হলেও দুধটা বেশতাজা আছে, নড়ম হয় নি। যদিও ব্রা পরে থাকে। তবুও টেরি সরে দাড়ালো না, এরাআবার এগুলি তেমন গুরুত্ব দেয় না। আমিতো লোভ পেয়ে গেলাম, আবার কিছুএকটা নামাবার ছুতায় ইচ্ছা করেই জোরে গুতা দিলাম তবুও টেরি সরে না।ভাবলাম, কি ব্যাপার?  সরছে না কেন? ওর কি ইচ্ছা আছে? দেখবো একবারচেষ্টা করে? না, যদি আবার কোন অনর্থ ঘটিয়ে বসে। ভাবছি কি করি। এমন সময়আমি তরকারিতে ঝোল দেবার জন্য পানি আনতে যাবার জন্য ঘুড়েছি আর ওমনিইওর দুই দুধের সাথেই আমার বুকে ঘষা লেগে গেল, বেশ জোড়েই লাগলো। আমি সরিবললাম। টেরি বললো নো নো ইটস অল রাইট। ওর এই কথা শুনে আমার মনেহোল, কোন রকম একবার জড়িয়ে ধরলে হয়তো আপত্তি করবে না। পাশেই সিঙ্কথেকে ঝোলের পানি এনে ডেকচিতে ঢেলে দিয়েই আমি সাহস করে টেরির মাথাজড়িয়ে ধরে ঠোটে চুমা দিলাম। সেও আমাকে দিলো। ভাবলাম কাজ হয়ে গেছে,এবার আর দেরি করা ঠিক হবে না। চুলার আগুন নিভিয়ে দিয়ে শরীরের আগুনজ্বলিয়ে দিলাম। আস্তে আস্তে ওর মাথা ছেড়ে হাত দুইটা নিচে নামালাম, জামারগলা দিয়ে একটা হাত ঢুকিয়ে দিয়ে একটা একটা করে দুধ টিপছি। দেখলাম টেরিবেশ উপভোগ করছে ওর চোখ বন্ধ। আমার ধোন এর মধ্যেই প্যান্ট ছিড়ে বের হয়েআসতে চাইছে। আমার ধোনটা একটু বেশি লম্বা, বৌকে যখন ঠাপ দিতাম মাঝেমাঝেই কোত করে উঠতো। এক হাত দিয়ে টেরির দুধ টিপছি আর এক হাত দিয়েপ্যান্টের হুকটা খুলে জিপটা এক টানে নিচে নামিয়ে দিলাম। প্যান্টটা আস্তে করেনিচে পরে গেল, বাসায় ছিলাম বলে আন্ডার ওয়ার পরিনি, ডান্ডাটা একেবারেতিড়িং করে লাফ দিয়ে উঠলো, এইতো আমি চাইছি। ওই হাত আরো নিচেনামালাম। স্কার্টের উপরে নাভির নিচে বালের উপরে এক হাত বুলাচ্ছি আর একহাত দুধের উপর আস্তে করে গায়ের জামাটা খুলে ফেললাম ব্রাও খুললাম।এক্কেবেরে যেন মাখনের পিন্ড, বোটা গুলি বেশ বড়, আর বোটার চার পাশে এতোদিন যা দূর থেকে দেখেছি তা সত্যিই গোলাপি রঙের। একটু ঝুলে পরেছে কিন্তুতাতে আমার কি? মাগনা দুধ তার আবার ঝোলাঝুলির কি? পট করে একটা বোটামুখে নিয়ে চুষতে শুরু করলাম আর অন্য হাত দিয়ে আর এক দুধের বোটায় চিমটিকাটছি। আর যায় কোথায়, টেরির শরিরে যেন আগুন জ্বলে উঠলো। হাই নটি বয়,হোয়াট আর ইউ ডুইং? না আমি তোমার আগুন নেভাবার চেষ্টা করছি, কত দিনধরে তুমি জ্বলছ তা হিসেব করেছ? রিয়ালি শান ইউ আর ডুইং ওয়েল। আমার নামশাহিন, ইংরেজরা  নাম উচ্চারন করতে পারে না, তাই টেরি আমাকে শান বলেডাকে। আমার সাহস বেড়ে গেল আম টেরিকে একে বারে ন্যাংটা করে ফেললাম।এতোক্ষন  আমার নিচে তাকায় নি, এখন নিচে তাকাতেই ধোনের দিকে চোখ পরেগেল আর বলে উঠলো, এয়ি হোয়াট ইস দিস? বলেই বুভুক্ষের মত হাতে এমন চেপেধরলো যে এমনিতেই খারা ধোন তার পর আবার কঠিন চাপ, একটু ব্যাথা পেলাম।কিছুক্ষন চেপে ধরে রাখলো তারপর দুধ থেকে আমার হাত ছাড়িয়ে আমার পুরো ৯ইঞ্চি লম্বা ধোন মুখের মধ্যে ভরে দিল। আহহহহ সে যে কি চোষোন, মনে হচ্ছিলোযেন খেয়েই ফেলবে। সত্যিই বুঝলাম এতো দিন টেরি কিছুই পায়নি তাই আজ হাতেরমধ্যে পেয়ে ছাড়তে চাইছে না। আমি আর কি করি কতক্ষন দাঁড়িয়ে টেরির চোষনক্রিয়া ভোগ করলাম। কতক্ষন ধোনের মাথা চুষে আবার কতক্ষন জিহবা দিয়ে পুরোধোন চেটে নেয়, আবার আস্ত বিচির থলে মুখে পুরে নেয়, বালের গোড়া হাতাচ্ছে ওরমুখ ঘষছে, বাল ধরে টানছে, সে যে কি কান্ড। আমি আর দেরি করতে পারছিলামনা। বললাম তুমি কি এই করবে নাকি তোমার ডিপে এই(ধো্নে একটা চাড়া দিয়েদেখালাম) স্কেলটা ঢুকিয়ে দেখবে গভীরতে ঠিক আছে কি না। হ্যা তুমি দেরি করছকেন? বা রে আমি দেরি করছি না তুমি ছাড়ছ না? তুমিতো মনে হচ্ছে কোহিনুরহিরের মত দখল করে রেখেছ। বলেই আমি ওর দুধ ধরে টেনে বসার ঘরে কার্পেটেরউপর এনে শুইয়ে দিলাম। স্কার্ট তো এর মধ্যেই খোলা হয়ে গেছে এবার ভুদায় হাতদিয়ে দেখি সে কি জোয়াড়, রিতি মত ফোটা ফোটা পরছে।  এতোক্ষন ধোন ধরেইরেখেছিলো। ওর হাত থেকে ধোন ছাড়িয়ে যেই ভুদার মুখের কাছে মাথাটা ধরেছিআর ওমনিই  নিচে থেকে এমন এক তল ঠাপ দিলো যে ধোনের অর্ধেকটাই ভিতরেঢুকে গেল। আমি পাশের সোফা থেকে টেনে কুশনটা এনে ওর মাজার তলে দিয়েদিলাম। তারপর শুরু করলাম ঠাপ, একে বারে রাম চোদন। ঠাপে ঠাপে টেরি কেপেকেপে উঠছিলো ওর দুধগুলি ঝলকাচ্ছিলো। কখনো ওর মাজায় ধরে কখনো দুধধরে চুদলাম, ইচ্ছা মত। এদেশের পুরুষেরা চুদার সময় দুধ ধরে না তাই টেরি যেমজা পাচ্ছে তা ওর জ়িবনে কোন দিন পায় নি। বলেই ফেললো ইউ আর গুডফাকার। বললাম, তুমি কখনো বাঙ্গালির চোদন খেয়েছ? না, কোথায় পাবো?কেন, আমি এই যে এতো দিন ধরে এখানে রয়েছি আমাকে দেখনি? আমি কি জানিবাঙ্গালিরা এমন চোদনবাজ? যাক আজতো দেখলে, এখন থেকে তোমার যখনজ্বালা উঠবে আমাকে বলবে আমি নিভিয়ে দিব। আসলে বুড়ি চুদা যে কত মজা তাযে না চুদেছে সে বুঝবে না। ছুড়িদের ভুদা থাকে চাপা, সেখানে ধোন ঠেলে ঠেলেঢুকাতে হয়। আর বুড়ির ভুদা খোলা, কোন ভাবে ধোনের মাথাটা ভুদার মুখেরকাছে আনলেই হোল, এক্কেবারে পক পক পক পক করে ঢুকে যায়। সাধে কি আরলোকে বলে খাইতে মজা মুড়ি আর চুদতে মজা বুড়ি ইসসসসস কত দিন পরচুদলাম, শান্তিই আলাদা, চুদার উপরে আর কোন সুখ আছে? চুদছি চুদছি আরচুদছি, চুদতে চুদতে বুড়ির ভুদায় ফেনা উঠে গেল পিচিক পিচিক শব্দ হচ্ছে, ঠাপাচ্ছিআর টেরির দুধ চুষছি, বুড়িতো সুখের চোটে বেহুশ। কখনো বলছে ওহ ডার্লিং,কখনো নটি বয় কি যে বলছে ওহ ফাক মি, ফাক মি, ফাক ফাক। কখনো ধোনটেনে বের করে ভুদার ঠোটের উপরে যে গুটির মত থাকে সেখানে ঘষছে। ওহহহহমাই ডার্লিং ফাক ফাক ফাক মি। আস্তে আস্তে টেরি যেন ঝিমিয়ে আসছে, মনে হচ্ছেওর হয়ে আসছে। জিজ্ঞ্যেস করলাম টেরি, ডু ইউ নিড মোর? নো মাই ডার্লিং আইএম নেয়ারলি ফিনিশ। বলতে বলতে ধোন আর শক্ত হয়ে গেল, ধাতু বের হবার সময়হয়েছে। বুড়ি চট করে ভুদা থেকে ধোন বের করে মাথাটা মুখে ভরে চুষতে শুরুকরলো। ধোন আরো শক্ত হোল লোহার মত, ঝাকুনি দিয়ে দিয়ে ঝিলিক ঝিলিককরে ধাতু বের হয়ে গেল বুড়ির মুখের মধ্যেই। তার পরও বুড়ি ধোন ছাড়ে না। টেনেবের করতে চাইলাম,  কামড়ে ধরলো। জিজ্ঞ্যেস করলাম এই যে লাভ জুস খেয়েফেললে এতে তোমার ঘেন্না করলো না? না। ঘেন্নার কি আছে, এটাতো ভিটামিন।মেয়েদের জন্য এটা জরুরী, অনেক দিন যাবত পাইনিতো তাই আজ একেবারেখেয়েই ফেললাম, এমনিতে সাধারনত ভুদার মধ্যে ঢাললেই হয়। মেয়েদের জন্য এইভিটামিন খুব জরুরি। আচ্ছা বেশ তাহলে তুমি সবসময় এমন করে খেয়ে ফেলবে।আমি কত দিন বৌকে বলেছি এমন করে চুষে বের করে দিতে, তা সে রাজীই হয়নি।বলে, তার ঘেন্না করে। আর আজ না চাইতেই চুষে খেয়েই ফেললো। খুব ভালোলাগলো। যাক চুদার জন্য একটা ভুদা পেয়েছি, এখন থেকে ধোন খাড়া হলেই চুদতেপারবো, এই আনন্দেই সেদিন আর রান্না শেষ হয় নি, টেরির স্যান্ডুইচ খেয়েই রাতপার করে দিয়েছিলাম, কি যে শান্তির ঘুম হয়েছিলো এমনিতেই আমি হলাম চোদনখোর মানুষ, না চুদলে কি ভালো থাকা যায়?

৫টি মন্তব্য:

  1. উত্তরগুলি
    1. এই মন্তব্যটি লেখক দ্বারা সরানো হয়েছে।

      মুছুন
    2. এই মন্তব্যটি লেখক দ্বারা সরানো হয়েছে।

      মুছুন
    3. এই মাসের সেরা চুদাচুদির গল্প গুলো পড়তে এইখানে ক্লিক করুন

      ২০১৫ সালের বাছাই করা সেরা চুদাচুদির গল্প পড়তে এইখানে ক্লিক করুন

      বাস্তব জীবনের চুদাচুদির গল্প পড়তে চটির সাগর ভিসিট করুন

      মা খালা ভাবিদের রসের রসের চুদাচুদির গল্প পড়তে চটির সাগর ভিসিট করুন

      চটির সাগরের গল্প পড়ুন চুদে যান, সুস্থ থাকুন। আহ চুদতে চুদতে যায় বেলা

      মামির দুধের গুদাম || চটির সাগর

      কাজের ছেলের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলল গৃহবধু || চটির সাগর

      পাশের বাসার আন্টি চুদল আমায় || চটির সাগর

      বউ এর সেক্সি বড় দুধ ওয়ালা বান্ধবি || চটির সাগর

      আমার শ্বশুর ভুল করে আমাকে চুদে দিল || চটির সাগর

      বড় ভাবী সাথে চোদা-চুদি || চটির সাগর

      মা এবং ছেলে মিলে চোদাচুদি || চটির সাগর

      যুবতি মাকে চুদে লুচ্চা ছেলে || চটির সাগর

      পারুল ভাবী'র চোদন কাহিণী || চটির সাগর

      আমার মায়ের ফুলশয্যা || চটির সাগর

      মুছুন
  2. এই মাসের সেরা চুদাচুদির গল্প গুলো পড়তে এইখানে ক্লিক করুন

    ২০১৫ সালের বাছাই করা সেরা চুদাচুদির গল্প পড়তে এইখানে ক্লিক করুন

    বাস্তব জীবনের চুদাচুদির গল্প পড়তে চটির সাগর ভিসিট করুন

    মা খালা ভাবিদের রসের রসের চুদাচুদির গল্প পড়তে চটির সাগর ভিসিট করুন

    চটির সাগরের গল্প পড়ুন চুদে যান, সুস্থ থাকুন। আহ চুদতে চুদতে যায় বেলা

    মামির দুধের গুদাম || চটির সাগর

    কাজের ছেলের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলল গৃহবধু || চটির সাগর

    পাশের বাসার আন্টি চুদল আমায় || চটির সাগর

    বউ এর সেক্সি বড় দুধ ওয়ালা বান্ধবি || চটির সাগর

    আমার শ্বশুর ভুল করে আমাকে চুদে দিল || চটির সাগর

    বড় ভাবী সাথে চোদা-চুদি || চটির সাগর

    মা এবং ছেলে মিলে চোদাচুদি || চটির সাগর

    যুবতি মাকে চুদে লুচ্চা ছেলে || চটির সাগর

    পারুল ভাবী'র চোদন কাহিণী || চটির সাগর

    আমার মায়ের ফুলশয্যা || চটির সাগর

    উত্তরমুছুন